А¦†а¦іа§ќа¦іа¦ѕа¦№а¦•ে — А¦ёа¦°а¦ѕа¦ёа¦°а§‡ А¦®а§ѓа¦ёа¦ѕа¦ёа¦¬а§ђа¦° А¦®а¦ња¦ѕа¦¦а¦ѕа¦° А¦•িছৃ А¦єа§ќа¦°а¦¶а§ќа¦ё Shahidur Rahman Mahmudabadi Waz Bangla Waz А¦®а¦ѕа¦№а¦®а§ѓа¦¦а¦ѕа¦¬а¦ѕа¦¦а§ђ

শাহেদুর রহমান মাহমুদেবাদী (রহ.)-এর একটি জনপ্রিয় ও হৃদয়স্পর্শী আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হলো হজরত মুসা (আ.) এবং মহান আল্লাহর মধ্যকার কথোপকথন। মুসা (আ.) ছিলেন 'কালিমুল্লাহ', যিনি সরাসরি আল্লাহর সঙ্গে কথা বলতেন। তাঁর সেই প্রশ্নগুলোর মধ্যে লুকিয়ে আছে গভীর আধ্যাত্মিক শিক্ষা ও আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা।

নিচে মাহমুদেবাদী সাহেবের আলোচিত সেই বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তরের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হলো:

আপনি কি এই আলোচনার কোনো নির্দিষ্ট বা আরও বিস্তারিত উদ্ধৃতি জানতে চান?

মুসা (আ.) একবার আল্লাহকে জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহ! আপনার অসংখ্য নিয়ামতের মাঝে আমি কীভাবে আপনার শোকর আদায় করব যা আপনার শানের উপযুক্ত?"আল্লাহ তাআলা জবাব দিলেন, "হে মুসা! তুমি যে এটি অনুভব করতে পেরেছ যে নিয়ামতগুলো আমার পক্ষ থেকে এসেছে এবং তুমি নিজে এর শোকর আদায়ের ক্ষমতা রাখো না—এটাই হলো তোমার প্রকৃত শোকর।"

মুসা (আ.) আল্লাহকে দেখতে চেয়েছিলেন ('রাব্বি আরিনি')। যদিও দুনিয়ার চোখে তা সম্ভব ছিল না, কিন্তু এই আবদারের পেছনে ছিল আল্লাহর প্রতি তাঁর অগাধ প্রেম। মাহমুদেবাদী সাহেব তাঁর ওয়াজে দেখিয়েছেন, কীভাবে একজন নবী আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য ব্যাকুল থাকতেন।

মুসা (আ.) প্রশ্ন করলেন, "হে রব! সারা দুনিয়ার মানুষ যদি আপনার অবাধ্য হয়ে যায়, তবে আপনার কী ক্ষতি হবে? আর সবাই যদি সিজদায় পড়ে থাকে, তবে আপনার কী লাভ?"আল্লাহ তায়ালা উত্তরে বললেন, "হে মুসা! আমি কারো ইবাদতের মহতাজ (মুখাপেক্ষী) নই। সমুদ্রের কিনারে কোনো পাখি এক ফোঁটা পানি পান করলে যেমন সমুদ্রের পানি কমে না, তেমনি সবার অবাধ্যতায় আমার শ্রেষ্ঠত্ব কমবে না। আর ইবাদত করলে লাভ বান্দারই হয়।"